হাসনাহেনা রানু।।
দেখেছি প্রতিনিয়ত সোনালি ভোরের সূর্যের আলোকে
কি যেন ভাবছে সে উদাস মনে
দুঃখ বিলাসী মানুষের মতো তাকে দেখে,
আমার ভীষণ কষ্ট হল
শ্রশ্রুমন্ডিত সে ছিল নির্বিকার
তার দু’ চোখে ছিল এক স্বপ্ন,
তার সিগারেটের পোড় খাওয়া ওষ্ঠ দেখে
এই আমি প্রথম উঠেছি শিওরে।
বুকের ভিতর জ্বলছে আগুন
শুধু তার কথা ভেবে,
হঠাৎ দৃষ্টিতে ভেসে ওঠে
এক হিমেল ফাগুন বিকেল
ফাগুনের আগুন জ্বলা বিকেলগুলোর মতোই সে ধরা পড়ল আমার দৃষ্টিতে,
স্যুরিনামিলানের সান্ধ্য মসৃণ কফিতে
চুমুক দিয়ে যে প্রায়শইঃ বলতো অপূর্ব!
প্রেমের উপাখ্যানে স্বপ্নের নীলকুঞ্জে
প্রায় সে উপমা খুঁজতো
আকাশ আর প্রকৃতির মাঝে ।
গভীর অনুরাগে সে ভালবাসে আমাকে —–
অদৃশ্যে হাত দুটি ধরে বলে কেমন আছ…
তুমি সেই, যে আমাকে বাঁচাতে করলে সাহায্য
একদা সে অলৌকিক স্বপ্নে বলেছিল,
বিশ্বাস করো আমার আজন্ম ভালবাসা
শুধু তোমার জন্য রেখেছি গুচ্ছ।
এ ভালবাসার সোনালি স্বপ্ন চির বাস্তব
আমার চেতনা তোমাকেই দিলাম অদ্যাপি
শ্রুতিময় ভালবাসার এক দুঃসাধ্য স্বপ্ন কুড়ি
এখন নীলাভ রাতের আলো তোমার বুকে আকাশ ;
অবাক হইয়ো না
সন্ধ্যা নামার আগেই কেমন রাত এসে যায়
আকাশ নীড়ে সূর্যের আভায় রঙিন আমার এক পৃথিবী,
সে কথা জানে না সবাই।
Leave a Reply